🧴মৌমাছির মোম, রয়্যাল জেলি ও প্রপোলিস – বাড়তি আয়ের উৎস ( মধুপথ গাইড – পর্ব ১২) | Modhupath

মৌচাষে শুধু মধু নয়, মৌমাছির মোম, রয়্যাল জেলি ও প্রপোলিস থেকেও আয় করা যায়। মধুপথ গাইডের পর্ব ১২-তে জানুন এই পণ্যগুলোর গুরুত্ব ও বিক্রির কৌশল।
🧴মৌমাছির মোম, রয়্যাল জেলি ও প্রপোলিস – বাড়তি আয়ের উৎস ( মধুপথ গাইড – পর্ব ১২) | Modhupath
🧴 মধুপথ গাইড – পর্ব ১২: মৌমাছির মোম, রয়্যাল জেলি ও প্রপোলিস – বাড়তি আয়ের উৎস মধু ছাড়াও মৌচাষ থেকে আরও কয়েকটি মূল্যবান পণ্য পাওয়া যায় – মোম, রয়্যাল জেলি ও প্রপোলিস। সঠিকভাবে সংগ্রহ ও বিক্রি করতে পারলে এগুলো থেকেই বাড়তি আয় সম্ভব। 🕯️ মৌমাছির মোম (Beeswax) মৌমাছি মোম দিয়ে মৌচাক তৈরি করে মোম সংগ্রহ করা যায় পুরনো ফ্রেম বা মৌচাক থেকে ব্যবহার: মোমবাতি, প্রসাধনী, ঔষধ, পালিশ বাজারদর: প্রতি কেজি ৫০০–১০০০ টাকা পর্যন্ত (বিশুদ্ধ হলে) 👑 রয়্যাল জেলি এটি এক ধরনের পুষ্টিকর খাদ্য যা রানী মৌমাছিকে খাওয়ানো হয় উৎপাদন তুলনামূলক কম হলেও দাম অনেক বেশি ব্যবহার: ভেষজ চিকিৎসা, প্রসাধনী, টনিক বাজারদর: প্রতি ১০ গ্রাম ২০০–৫০০ টাকা 🌿 প্রপোলিস (Propolis) গাছের রেজিন ও মৌমাছির এনজাইম মিশিয়ে তৈরি হয় মৌচাকে জীবাণুমুক্ত রাখতে ব্যবহৃত হয় ব্যবহার: অ্যান্টিবায়োটিক, দাঁতের মলম, ঘরোয়া ঔষধ বাজারে অনেক চাহিদা রয়েছে 🛒 বিক্রি ও বাজারজাতকরণ কৌশল স্থানীয় হারবাল দোকান বা ফার্মেসিতে সরবরাহ অনলাইন প্ল্যাটফর্মে (Facebook, Daraz, Shohozbazaar) বিক্রয় নিজস্ব লেবেল ও প্যাকেজিং তৈরি করলে বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ে 📌 উপসংহার: মৌচাষ শুধু মধু উৎপাদনে…